শুক্রবার, ২৯ মার্চ, ২০১৯

ছোট ব্যবসার আইডিয়া

ছোট ব্যবসায় আইডিয়াগুলো আরএমজি ইন্ডাস্ট্রি প্রফেশনালদের আগ্রহী করতে পারে।
নিচে উল্লেখ করা হলো:

ছোট ফ্যাক্টরি সেটাপ:
টেইলরিং বা ম্যানুফ্যাকচারিং বা মার্চেন্ডাইজিং অভিজ্ঞতা নিয়ে ছোট ফ্যক্টরি সেটাপ করা যেতে পারে। কিছু টেইলর নিয়োগ দিতে হবে।
পোশাক তৈরি করে শহরে খুচরা কিংবা পাইকারী বিক্রেতার নিকট বিক্রি করা যেতে পারে।
পন্য হিসেবে বেছে নেয়া যেতে পারে স্কুল ইউনিফর্ম, লেডিস কুর্তি, ছেলেদের শার্ট।

সাব-কন্ট্রাক্টিং বিজন্যাস:
ছোট ফ্যাক্টরি সেটাপ দিয়ে রপ্তানিকারক বা ডমেস্টিক ব্রান্ড এর জন্য কাজ করা যেতে পারে।
পিক সিজনে বড় ফ্যাক্টরি ও বায়িং হাউজগুলোতে উৎপাদন ক্ষমতার অধিক পরিমান অর্ডার আসে। নির্ধারিত সময়ে শিপমেন্ট নিমিত্তে সাব-কন্ট্রাক্টে কাজ করায়। এক্ষেত্রে বায়ার হ্যান্ডল করতে হবে না। মাল ম্যাটারিয়ালস কিনতে হবে না।
রপ্তানিকারকের কাছ থেকে কাটিং করা ফেব্রিক আসবে ব্যবসায়ের কাজ হবে শুধু সেলাই করা।

গার্মেন্টস পাইকারি ব্যবসায়:
কাজের অতিরিক্ত সময়কে ফলপ্রসু করতে চাইলে করা যেতে পারে পাইকারি ব্যবসায়।
উৎপাদনকারী ফ্যাক্টরি থেকে তৈরি পোশাক সোর্সিং করে এবং শহরের ছোট দোকানগুলোতে সরবরাহ করা যেতে পারে। বড় পরিসরে কিনে বিক্রি করতে পারলে মুনাফার পরিমানও বেশি হবে।

রপ্তানি পরবর্তী উদ্বৃত্ত পণ্যের দোকান:
বর্তমানে বিশ্ববিখ্যাত ব্র্যান্ডগুলোর রপ্তানিযোগ্য পণ্যের চাহিদা প্রচুর। সবাই চায় অতিরিক্ত টাকা খরচ না করে বিখ্যাত ব্যান্ডগুলোর ট্রেন্ডি পোশাক গায়ে জড়াতে। তাই তারা রপ্তানি পরবর্তী অতিরিক্ত পোশাক খোজে। রিজেক্টেড ও সারপ্লাস পণ্য বিক্রির দোকান খোলা হবে একটি লাভজনক ব্যবসায়।

যারা এই শিল্পে কাজ করেন বা করেছেন তারা জানেন যে, প্রস্তুতকারক অর্ডারকৃত পণ্যের চেয়ে বেশি পণ্য প্রস্তুত রাখেন। আবার অনেক সময় সম্পূর্ণ শিপমেন্টই বাতিল হয়ে যায় কোওয়ালিটি ইস্যু বা দেড়িতে শিপমেন্ট এর জন্য। ফ্যাক্টরি থেকে এসব পন্য কিনে আকর্য়নীয় মূল্যে বিক্রি করা যেতে পারে।

প্রিন্টিং এবং এ্যামব্রয়ডারি ইউনিট:
গার্মেন্টস ম্যানুফ্যাকচারিংয়ে প্রিন্টিং এবং এ্যামব্রয়ডারি হলো ভ্যালু এ্যডিং প্রসেস।
বর্তমান ফ্যাশন আমলে, পোশাককে ট্রেন্ডি করতে ডিজাইনাররা কালার ও প্যাচ যুক্ত করে। কিছু পন্য ছাড়া প্রায় সব ধরনের পণ্যেই প্রিন্ট অথবা এ্যামব্রয়ডারি অথবা দুটোই আশা করেন ক্রেতারা। প্রিন্টিং ও এ্যামব্রয়ডারির জন্য বিনিয়োগ করতে হবে মেশিনে।
এজন্য ছোট রপ্তানিকারকগন এই ভ্যালু এ্যাডিং প্রসেসিংটা অন্যদের থেকে করিয়ে নেন। তো, তাদেরকে সুবিধা দেয়ার মাধ্যমে ব্যবসায় করতে চাইলে, মুনাফাধর্মী হওয়া যাবে।

ওয়াশিং প্ল্যান্ট:
গার্মেন্টস ম্যানুফ্যাকচারিং এ বিভিন্ন ধাপে কাপড় ওয়াশ করতে হয়। আবার দেখা যায়, বায়ার ওয়াশ করা পন্য চায় এবং সাথে কিছু ফিচারও।
যেমন- ওয়াশ এর পর কিছু কিছু লুক ও হ্যান্ড ফিল। ছোট প্রস্তুতকারকদের সাধারনত ওয়াশিং প্ল্যান্ট থাকে না। এই অপশনটিকে ব্যবসায়ের সুযোগ হিসেবে দেখা যায়।

গার্মেন্টস বায়িং এজেন্সি:
যদি কোন এক্সপোর্ট হাউজ বা কোন বায়িং হাউজে কিছু বছর মার্চেন্ডাইজার হিসেবে কাজ করে থাকেন, তাহলে বায়ারদের সাথে আপনার ভালো সম্পর্ক গড়ে উঠতে পারে। তাদের সাথে কন্টাক্ট করে অর্ডার নেয়ার ভালো সুযোগ থাকে। অর্ডার নিতে পারলে উৎপাদনকারী ফ্যাক্টরি থেকে অর্ডারকৃত পণ্য সরবরাহ করতে পারেন। প্রোডাক্ট ডেভেলপমেন্ট ও স্যাম্পল রুম রাখতে হবে। এর জন্য প্রাথমিক ভাবেই কিছু মানবসম্পদ নিয়ে টিম করে কাজ করতে হবে।

ইনফরমেশন টেকনোলজি সার্ভিসেস:
আরএমজি ইন্ডাস্টি এখন আইটি বেইজড হয়ে যাচেছ। ইআরপি সিস্টেম এবং অন্যান্য প্রযুক্তি সমাধান। যদি আইটি নলেজ ভালো থাকে এবং রপ্তানিকারকের সমস্যা সমাধানের জন্য প্রযোজনিয় টুল আবিষ্কার করতে পারে, তাহলে ভবিষ্যৎ উজ্জল। প্যাটার্ন মেকিং সলিউশন, প্রোডাকশন প্ল্যানিং, কাচামাল ব্যবস্থাপনা ইত্যাদি সুবিধা দিতে পারলে ব্যবসায় ভালো করতে পারবে।

উপরোল্লিখিত আইডিয়াগুলো প্রাথমিক দৃষ্টিতে ছোট মনে হচ্ছে।
তবে শুরু করতে পারলে একদিন এত ছোট থাকবে না।
বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠিত শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলোর ইতিহাস পর্যালোচনা করে দেখা যায়, কোন ফ্যাক্টরি বা কোম্পানিই বড় ও প্রতিষ্ঠিত ছিলো না
শুরুতেই কেউ বড় পরিসরে শুরু করতে পারেন না।
ছোট আকারে শুরু করে উন্নত সেবা ও পন্য সরবরাহ করে ধীরে ধীরে বড় আকার ধারন করছে। তথ্যসূত্র: ইন্টারনেট।

ইনভেস্ট ছাড়া ১০ বিজনেস আইডিয়া

পকেটে যথেষ্ট টাকা নেই, কিন্তু চাইলে তারপরও দারুণ কিছু ব্যবসা করতে পারেন। 
ইন্টারনেটের যুগে আপনার কৗশল, বুদ্ধি আর সুযোগ সুবিধা কাজে লাগিয়ে দ্রুত আয় করতে পারেন। এজন্য খুব বেশি ইনভেস্টের দরকার নেই। 
তবে পরিশ্রম ছাড়া উন্নতি হবে না। 
Image result for make money without investmentইনভেস্ট ছাড়া ১০ বিজনেস আইডিয়া জেনে নিন যা আপনার বিজনেস শুরু করতে কাজে লাগবে:

১. গ্রুপ ইউটিউবার

এখন বড় ব্যবসা খাত ইউটিউব। 
ইউটিউব চ্যানেল জনপ্রিয় করতে পারলে আপনার ব্যবসা দাঢ়িয় যাবে।
কয়েকজনকে সাথে নিয়ে নেমে পড়ুন। 
যা থেকে অনেক টাকা আয় করতে পারবেন। ৩-৪ জন বন্ধু বান্ধব মিলে খুব সহজেই বানাতে পারেন মজার মজার অনেক ইউটিউব ভিডিও।

২.ওয়েব ডিজাইন ও এসইও

আপনি চাইলে বিনা মূল্যে কোর্স করতে পারেন। 
এক্ষত্রে সরকারি নানা কোর্স আছে যাতে কোর্স করার শেষে কিছু অর্থ দেওয়া হয়। 
সেগুলো আর আপনার প্রশিক্ষণ কাজে লাগিয়ে ফ্রিল্যান্স ব্যবসা শুরু করতে পারেন। 
আর্টিকেল লেখা, পডকাস্ট তৈরি, এসইও, গ্রাফিকস ওয়েব ডিজিাইনের মতো ব্যবসা শুরু করতে পারেন।

৩. অনলাইন টিউশনি

টিউসন করে আপনি যথেষ্ট ভালো আয় করতে পারবেন। 
এতে কোন পুজিঁর দরকার হয় না। 
বেকার বসে থাকার চেয়ে টিউসন করানো অনেক ভাল। 
কারন টিউসন করালে আপনার সরকারি চাকরির প্রস্তুতিও অনেক ভালো হবে। এটি সব থেকে ভালো উপায় আয় করার, বেকার বসে থাকার চেয়ে।

৪. হোম ডেলিভারী

আপনি কি জানেন, হোম ডেলিভেরী দিয়ে আপনি মাসে ৫০০০০ টাকা ও আয় করতে পারবেন। 
বিনা বিনিয়োগে আপনি সহজে হোম ডেলিভারী ব্যবসা করতে পারেন। 
বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান হোম ডেলিভারির লোক খোজে। 
কয়েকজনকে নিয়ে একটি ব্যবসা দাড় করাতে পারেন।

৫. ফেসবুকে বেচা বিক্রি

এখন তো ফেসবুক লাইভে প্রচুর বেচাকেনা হয়। 
আপনার বন্ধু বান্ধব সহ সোশ্যাল মিযডিয়ায় অনেকেই অ্যাকটিভ। 
একটা ব্যবসা শুরু করুন। 
সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে সেল করতে শুরু করতে পারেন। 
কিছুদিনের মধ্যে ব্যবসা দাড়েয়ে যাবে।

৬. মোবাইল এবং ল্যাপটপ সারানো


আপনি চাইলে সার্ভিসিং বিষয়ে প্রশিক্ষণ নিয়ে নিজে ব্যবসা দাড় করাতে পারেন। 
সার্ভিসিংয়ের পাশাপাশি নিজে নতুন পণ্য বিক্রি করে আয় করতে পারেন। 
প্রয়োজনে নিজে ট্রেড লাইসেন্স করে নিজের ব্যবসা করুন।

৭. ফটোগ্রাফি

আপনি কি ভালো ছবি তোলেন? 
আপনার কাছে তাহলে এটলিস্ট ভালো মানের ক্যামেরা, ক্যামেরা মোবাইল থাকার কথা।
 তা না থাকলে একটু ভালো ফটোগ্রাফি শিখুন। 
ভালো ক্যামেরা ও মোবাইল ম্যানেজ করুন। সেটা কাজে লাগিয়ে ফটোগ্রাফরি ব্যবসায় নামুন। 
দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে এ ব্যবসা এখন জনপ্রিয় হচ্ছে। আপনার তোলা ছবি অনলাইনে বিক্রি করতে পারবেন। 
অনেক সাইটে ছবি বিক্রি করা যায়।

৮. লোকাল গাইড

আপনার কি গুগল ম্যাপ সম্পর্কে ভালো ধারণা আছে? 
নিশ্চয়ই এলাকার সব ইতিহাস জানেন। 
এলাকার খুটিনাটি পথ ঘাট, আইনকানুন জেনে লোকাল গাইড হিসেবে কাজ শুরু করে দিতে পারেন। 
নিজের ওয়েবসাইট তৈরি করে ব্যবসা প্রসার করতে পারবেন।

৯. ই-কমার্স

আপনার এলাকার বিখ্যাত পণ্যটি অনলাইনে বিক্রি শুরু করে হয়ে যেতে পারেন ব্যবসায়ী। 
অনেকেই এখন এ ব্যবসায় সফল।

১০. গবাদি পশু ও খামার

এখন অনলাইনে গরুসহ নানা পশুর ব্যাপক চাহিদা। 
এ সুযোগ নিতে পারেন। গরু মোটাতাজা করা থেকেে শুরু করে এলাকায় ফ্রেশ খামার বা বাগান করুন। 
মাছ চাষও করতে পারেন। এরপর অনলাইন কাজে লাগিয়ে বড় ব্যবসায়ী হয়ে উঠুন।
 (উদ্যোক্তার খোঁজে )

বৃহস্পতিবার, ২৮ মার্চ, ২০১৯

তিন বছরের মধ্যে নারিকেল গাছে ফল



দিন দিন বাড়ছে খাটো জাতের নারিকেল চারার চাহিদা।
সরকারি প্রকল্পের মাধ্যমে ভিয়েতনাম থেকে আমদানি করা এ চারা বিভিন্ন জেলায় লাগানো হচ্ছে। 
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর সূত্রে জানা যায়, ইতিমধ্যে ৪ লাখ ৫০ হাজার খাটো জাতের নারিকেল চারা আমদানি করা হয়েছে। 
যার অধিকাংশ দক্ষিণাঞ্চলসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় রোপণ করা হচ্ছে। 
তবে ৫ শতাংশ চারা এখনও মজুদ রয়েছে।

কৃষি মন্ত্রণালয় সারা বছর ফল উৎপাদনের জন্য ‘বছরব্যাপী ফল উৎপাদনের মাধ্যমে পুষ্টি উন্নয়ন প্রকল্প’র আওতায় এ চারা বিতরণ করছে। 
এ প্রকল্পের মাধ্যমে সরকারের ১০ লাখ চারা আমদানির পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানান সংশ্লিষ্টরা। বর্তমানে বাণিজ্যিকভাবে চাষের জন্য খাটো জাতের নারিকেল চারার প্রতি আগ্রহ বাড়ছে কৃষকের।

এক একর জমিতে ৭০টি নারিকেল চারা রোপণ করা যায়। 
তিন বছরের মধ্যে গাছে ফল আসায় এর প্রতি আগ্রহও দিন দিন বাড়ছে। 
সূত্র জানায়, বরিশাল, বরগুনা, পটুয়াখালী, পিরোজপুর, বাগেরহাট, খুলনা, দিনাজপুর, কুষ্টিয়া, মেহেরপুরসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় খাটো জাতের নারিকেল গাছ লাগানো শুরু হয়েছে।

এছাড়া বান্দরবান, রাঙ্গামাটি জেলার পাহাড়ি এলাকায়ও এ জাতের গাছ লাগানো হয়েছে। 
সারা দেশে হর্টিকালচার সেন্টারের মাধ্যমে এ চারা কৃষকের মাঝে বিতরণ করা হয়। 
রাজধানীতে আসাদগেট হর্টিকালচার সেন্টার থেকেও এ জাতের গাছ সংগ্রহ করছেন রাজধানীবাসী।

জানা যায়, দেশে অতিমাত্রায় ডাব বিক্রি হওয়ায় নারিকেল গাছের ফল বা (বীজ) প্রাপ্তির সংখ্যা দিন দিন কমে আসছে। 
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী দেশের ৪ হাজার ৮৭ একর জমিতে ৬২ লাখ নারিকেল গাছ আছে; যা চাহিদর তুলনায় কম। 
এ পরিস্থিতিতে ভিয়েতনাম থেকে ছোট জাতের নারিকেলের চারা আমদানি করা হয়েছে।

এ জাতের ডাব খুবই সুস্বাদু। এছাড়া ফলনও লম্বা জাতের গাছের চেয়ে অনেক বেশি। প্রতি গাছে বছরে গড়ে ১৫০ থেকে ২০০টি ফল ধরে। গাছ রোপণের দুই থেকে আড়াই বছরের মধ্যে ফুল ফোটা শুরু হয়। দেশীয় লম্বা জাতের নারিকেল গাছে ফুল আসতে ৭ থেকে ৮ বছর লেগে যায়। ভিয়েতনামের খাটো জাতের ডাবে পানির পরিমাণও অনেক বেশি।


প্রতিটি ডাব থেকে ৩০০ এমএল পানি পাওয়া যাবে। সব ধরনের মাটিতেই এ গাছ লাগানো সম্ভব। তা ছাড়া এ জাতের গাছ লবণাক্ততা অনেক বেশি সহ্য করতে পারে। গাছ খাটো হওয়ায় পরিচর্যাও সহজ। গাছে ওঠা দূরে থাক, মাটিতে বসেই নারিকেল পাড়া যায়। এ জাতের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হল নারিকেল থেকেই এর চারা হবে।

ভিয়েতনাম থেকে দুই ধরনের খাটো জাতের নারিকেল চারা আনা হচ্ছে। এর একটি হল সিয়াম গ্রিন কোকোনাট। এটি ডাব হিসেবে ব্যবহারের ক্ষেত্রে খুবই জনপ্রিয়। তবে ফলের আকার কিছুটা ছোট। আরেকটি জাতের নাম সিয়াম ব্লু কোকোনাট। এটিও অতি জনপ্রিয় জাত ও আকারে বড়।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের বছরব্যাপী ফল উৎপাদনের মাধ্যমে পুষ্টি উন্নয়ন প্রকল্পের উপপরিচালক কৃষিবিদ মো. নুরুল ইসলাম বলেন, দেশে ডাবের চাহিদা বাড়ছে। কিন্তু নারিকেল উৎপাদন কমে যাচ্ছে। এজন্য বিশেষ এ জাতটি আমদানি করা হয়েছে। বছরে দেশি একটি গাছে ৫০ থেকে ৬০টি নারিকেল ধরলেও আমদানি করা এ গাছে গড়ে ২০০টি নারিকেল ধরবে।
তথ্যসূত্র: যুগান্তর

বুধবার, ২৭ মার্চ, ২০১৯

মৃত্যুর পর টাকা পয়সার কি প্রয়োজন?

ইহকাল ও পরকাল ২টা ভিন্ন অবস্থা।
দুনিয়ায় মানুষের জীবন যাপনের জন্য টাকা পয়সার দরকার পরে । পরিশ্রম করতে হয়। 
একটু সহযোগিতার অভাবে অনেক কষ্ঠে দিন পার করে আমাদেরই চারপাশে হাজারো মানুষ। 
রেজভীয়া দরবারের সকল ভক্ত বৃন্দদের পাশে দাড়াতে তাঁদের বেকারত্ব,  দারিদ্রতা ও সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যে রেজভীয়া কল্যাণ সংস্থা গঠনের পরিকল্পনা করা হয়েছে। 
আমরা সবাই মিলে পারি একজন ঈমানদার ব্যক্তির কষ্ট দূর করতে।  
যদি ৫ টাকার ১ কাপ চা না খেয়ে আমরা ২০হাজার জনে ১ লক্ষ টাকা হবে। 
যা দিয়ে একটি পরিবারে দারিদ্রতা দূর করা সম্ভব ।
আল্লাহর বন্ধুদের দুনিয়া থেকে বিদায়ের পর কোনো টাকা পয়সার প্রয়োজন নেই ।
কিন্তু যিনি দুনিয়ায় কষ্ট করছেন তাঁকে কেনো আমরা সহযোগিতা করতে পারবো না? 
প্রতিটি এলাকায় রেজভীয়া কল্যাণ সংস্থার বিস্তার ঘটান । 
সবাই মিলে আপনার এলাকার ভাইদের  সহযোগিতা করুন।
পরস্পরের সাথে যোগাযোগ রাখুন।  বিপদে পরলে একে অন্যের পাশে দাঁড়ান। 
শূন্য থেকে যাত্রা শুরু করেছি ।
যদি কখনো বড় পরিসর তৈরি হয় তবে রেজভীয়া কল্যাণ সংস্থা থেকে বিনা সুদে ঋণ পাবেন,  বেকার হয়ে বসে থাকার চেয়ে ছোট যেকোনো কর্ম করা উত্তম   ।  
রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম   দেখিয়েছেন সৎ কাজকে ঘৃণা করা যাবে না।  
আসুন সবাই মিলে পরস্পরের পাশে দাড়িয়ে দারিদ্রতা  দূর করি।