অনলাইন লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
অনলাইন লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

শুক্রবার, ২৯ মার্চ, ২০১৯

ইনভেস্ট ছাড়া ১০ বিজনেস আইডিয়া

পকেটে যথেষ্ট টাকা নেই, কিন্তু চাইলে তারপরও দারুণ কিছু ব্যবসা করতে পারেন। 
ইন্টারনেটের যুগে আপনার কৗশল, বুদ্ধি আর সুযোগ সুবিধা কাজে লাগিয়ে দ্রুত আয় করতে পারেন। এজন্য খুব বেশি ইনভেস্টের দরকার নেই। 
তবে পরিশ্রম ছাড়া উন্নতি হবে না। 
Image result for make money without investmentইনভেস্ট ছাড়া ১০ বিজনেস আইডিয়া জেনে নিন যা আপনার বিজনেস শুরু করতে কাজে লাগবে:

১. গ্রুপ ইউটিউবার

এখন বড় ব্যবসা খাত ইউটিউব। 
ইউটিউব চ্যানেল জনপ্রিয় করতে পারলে আপনার ব্যবসা দাঢ়িয় যাবে।
কয়েকজনকে সাথে নিয়ে নেমে পড়ুন। 
যা থেকে অনেক টাকা আয় করতে পারবেন। ৩-৪ জন বন্ধু বান্ধব মিলে খুব সহজেই বানাতে পারেন মজার মজার অনেক ইউটিউব ভিডিও।

২.ওয়েব ডিজাইন ও এসইও

আপনি চাইলে বিনা মূল্যে কোর্স করতে পারেন। 
এক্ষত্রে সরকারি নানা কোর্স আছে যাতে কোর্স করার শেষে কিছু অর্থ দেওয়া হয়। 
সেগুলো আর আপনার প্রশিক্ষণ কাজে লাগিয়ে ফ্রিল্যান্স ব্যবসা শুরু করতে পারেন। 
আর্টিকেল লেখা, পডকাস্ট তৈরি, এসইও, গ্রাফিকস ওয়েব ডিজিাইনের মতো ব্যবসা শুরু করতে পারেন।

৩. অনলাইন টিউশনি

টিউসন করে আপনি যথেষ্ট ভালো আয় করতে পারবেন। 
এতে কোন পুজিঁর দরকার হয় না। 
বেকার বসে থাকার চেয়ে টিউসন করানো অনেক ভাল। 
কারন টিউসন করালে আপনার সরকারি চাকরির প্রস্তুতিও অনেক ভালো হবে। এটি সব থেকে ভালো উপায় আয় করার, বেকার বসে থাকার চেয়ে।

৪. হোম ডেলিভারী

আপনি কি জানেন, হোম ডেলিভেরী দিয়ে আপনি মাসে ৫০০০০ টাকা ও আয় করতে পারবেন। 
বিনা বিনিয়োগে আপনি সহজে হোম ডেলিভারী ব্যবসা করতে পারেন। 
বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান হোম ডেলিভারির লোক খোজে। 
কয়েকজনকে নিয়ে একটি ব্যবসা দাড় করাতে পারেন।

৫. ফেসবুকে বেচা বিক্রি

এখন তো ফেসবুক লাইভে প্রচুর বেচাকেনা হয়। 
আপনার বন্ধু বান্ধব সহ সোশ্যাল মিযডিয়ায় অনেকেই অ্যাকটিভ। 
একটা ব্যবসা শুরু করুন। 
সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে সেল করতে শুরু করতে পারেন। 
কিছুদিনের মধ্যে ব্যবসা দাড়েয়ে যাবে।

৬. মোবাইল এবং ল্যাপটপ সারানো


আপনি চাইলে সার্ভিসিং বিষয়ে প্রশিক্ষণ নিয়ে নিজে ব্যবসা দাড় করাতে পারেন। 
সার্ভিসিংয়ের পাশাপাশি নিজে নতুন পণ্য বিক্রি করে আয় করতে পারেন। 
প্রয়োজনে নিজে ট্রেড লাইসেন্স করে নিজের ব্যবসা করুন।

৭. ফটোগ্রাফি

আপনি কি ভালো ছবি তোলেন? 
আপনার কাছে তাহলে এটলিস্ট ভালো মানের ক্যামেরা, ক্যামেরা মোবাইল থাকার কথা।
 তা না থাকলে একটু ভালো ফটোগ্রাফি শিখুন। 
ভালো ক্যামেরা ও মোবাইল ম্যানেজ করুন। সেটা কাজে লাগিয়ে ফটোগ্রাফরি ব্যবসায় নামুন। 
দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে এ ব্যবসা এখন জনপ্রিয় হচ্ছে। আপনার তোলা ছবি অনলাইনে বিক্রি করতে পারবেন। 
অনেক সাইটে ছবি বিক্রি করা যায়।

৮. লোকাল গাইড

আপনার কি গুগল ম্যাপ সম্পর্কে ভালো ধারণা আছে? 
নিশ্চয়ই এলাকার সব ইতিহাস জানেন। 
এলাকার খুটিনাটি পথ ঘাট, আইনকানুন জেনে লোকাল গাইড হিসেবে কাজ শুরু করে দিতে পারেন। 
নিজের ওয়েবসাইট তৈরি করে ব্যবসা প্রসার করতে পারবেন।

৯. ই-কমার্স

আপনার এলাকার বিখ্যাত পণ্যটি অনলাইনে বিক্রি শুরু করে হয়ে যেতে পারেন ব্যবসায়ী। 
অনেকেই এখন এ ব্যবসায় সফল।

১০. গবাদি পশু ও খামার

এখন অনলাইনে গরুসহ নানা পশুর ব্যাপক চাহিদা। 
এ সুযোগ নিতে পারেন। গরু মোটাতাজা করা থেকেে শুরু করে এলাকায় ফ্রেশ খামার বা বাগান করুন। 
মাছ চাষও করতে পারেন। এরপর অনলাইন কাজে লাগিয়ে বড় ব্যবসায়ী হয়ে উঠুন।
 (উদ্যোক্তার খোঁজে )

বৃহস্পতিবার, ২৮ মার্চ, ২০১৯

তিন বছরের মধ্যে নারিকেল গাছে ফল



দিন দিন বাড়ছে খাটো জাতের নারিকেল চারার চাহিদা।
সরকারি প্রকল্পের মাধ্যমে ভিয়েতনাম থেকে আমদানি করা এ চারা বিভিন্ন জেলায় লাগানো হচ্ছে। 
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর সূত্রে জানা যায়, ইতিমধ্যে ৪ লাখ ৫০ হাজার খাটো জাতের নারিকেল চারা আমদানি করা হয়েছে। 
যার অধিকাংশ দক্ষিণাঞ্চলসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় রোপণ করা হচ্ছে। 
তবে ৫ শতাংশ চারা এখনও মজুদ রয়েছে।

কৃষি মন্ত্রণালয় সারা বছর ফল উৎপাদনের জন্য ‘বছরব্যাপী ফল উৎপাদনের মাধ্যমে পুষ্টি উন্নয়ন প্রকল্প’র আওতায় এ চারা বিতরণ করছে। 
এ প্রকল্পের মাধ্যমে সরকারের ১০ লাখ চারা আমদানির পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানান সংশ্লিষ্টরা। বর্তমানে বাণিজ্যিকভাবে চাষের জন্য খাটো জাতের নারিকেল চারার প্রতি আগ্রহ বাড়ছে কৃষকের।

এক একর জমিতে ৭০টি নারিকেল চারা রোপণ করা যায়। 
তিন বছরের মধ্যে গাছে ফল আসায় এর প্রতি আগ্রহও দিন দিন বাড়ছে। 
সূত্র জানায়, বরিশাল, বরগুনা, পটুয়াখালী, পিরোজপুর, বাগেরহাট, খুলনা, দিনাজপুর, কুষ্টিয়া, মেহেরপুরসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় খাটো জাতের নারিকেল গাছ লাগানো শুরু হয়েছে।

এছাড়া বান্দরবান, রাঙ্গামাটি জেলার পাহাড়ি এলাকায়ও এ জাতের গাছ লাগানো হয়েছে। 
সারা দেশে হর্টিকালচার সেন্টারের মাধ্যমে এ চারা কৃষকের মাঝে বিতরণ করা হয়। 
রাজধানীতে আসাদগেট হর্টিকালচার সেন্টার থেকেও এ জাতের গাছ সংগ্রহ করছেন রাজধানীবাসী।

জানা যায়, দেশে অতিমাত্রায় ডাব বিক্রি হওয়ায় নারিকেল গাছের ফল বা (বীজ) প্রাপ্তির সংখ্যা দিন দিন কমে আসছে। 
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী দেশের ৪ হাজার ৮৭ একর জমিতে ৬২ লাখ নারিকেল গাছ আছে; যা চাহিদর তুলনায় কম। 
এ পরিস্থিতিতে ভিয়েতনাম থেকে ছোট জাতের নারিকেলের চারা আমদানি করা হয়েছে।

এ জাতের ডাব খুবই সুস্বাদু। এছাড়া ফলনও লম্বা জাতের গাছের চেয়ে অনেক বেশি। প্রতি গাছে বছরে গড়ে ১৫০ থেকে ২০০টি ফল ধরে। গাছ রোপণের দুই থেকে আড়াই বছরের মধ্যে ফুল ফোটা শুরু হয়। দেশীয় লম্বা জাতের নারিকেল গাছে ফুল আসতে ৭ থেকে ৮ বছর লেগে যায়। ভিয়েতনামের খাটো জাতের ডাবে পানির পরিমাণও অনেক বেশি।


প্রতিটি ডাব থেকে ৩০০ এমএল পানি পাওয়া যাবে। সব ধরনের মাটিতেই এ গাছ লাগানো সম্ভব। তা ছাড়া এ জাতের গাছ লবণাক্ততা অনেক বেশি সহ্য করতে পারে। গাছ খাটো হওয়ায় পরিচর্যাও সহজ। গাছে ওঠা দূরে থাক, মাটিতে বসেই নারিকেল পাড়া যায়। এ জাতের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হল নারিকেল থেকেই এর চারা হবে।

ভিয়েতনাম থেকে দুই ধরনের খাটো জাতের নারিকেল চারা আনা হচ্ছে। এর একটি হল সিয়াম গ্রিন কোকোনাট। এটি ডাব হিসেবে ব্যবহারের ক্ষেত্রে খুবই জনপ্রিয়। তবে ফলের আকার কিছুটা ছোট। আরেকটি জাতের নাম সিয়াম ব্লু কোকোনাট। এটিও অতি জনপ্রিয় জাত ও আকারে বড়।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের বছরব্যাপী ফল উৎপাদনের মাধ্যমে পুষ্টি উন্নয়ন প্রকল্পের উপপরিচালক কৃষিবিদ মো. নুরুল ইসলাম বলেন, দেশে ডাবের চাহিদা বাড়ছে। কিন্তু নারিকেল উৎপাদন কমে যাচ্ছে। এজন্য বিশেষ এ জাতটি আমদানি করা হয়েছে। বছরে দেশি একটি গাছে ৫০ থেকে ৬০টি নারিকেল ধরলেও আমদানি করা এ গাছে গড়ে ২০০টি নারিকেল ধরবে।
তথ্যসূত্র: যুগান্তর